বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Navy job

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ ২০২২ প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান একজন চার তারকা অ্যাডমিরাল। নৌপ্রধান নৌবাহিনীর সকল যুদ্ধকালীন ও শান্তিকালীন সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করেন। নৌবাহিনী সদর দপ্তর এর চারটি শাখা রয়েছে: অপারেশন্স(ও), পার্সোনেল (পি), ম্যাটেরিয়াল (এম) ও লজিস্টিকস (লগ)। প্রত্যেক শাখার প্রধান হিসেবে রয়েছে একজন সহকারি নৌবাহিনী প্রধান। প্রত্যেক সহকারি নৌপ্রধান এর অধীনে রয়েছে একাধিক পরিদপ্তর যার পরিচালক হিসেবে থাকেন একজন ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে আবেদন করুন। বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এর সকল খবর এখানে সবার আগে পাবেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ দেখুন। আমাদের ফলো করুন এখানে www.jobpaperbd.com

In 1971, Pakistani troops launched a brutal military offensive in East Pakistan, which led to the outbreak of Bangladesh’s war of independence. Six Bengali sailors revolted from the Pakistan Navy’s submarine PNS Mangro under construction in France and returned to Bangladesh to lay the foundation of the navy. The official launch of the Bangladesh Navy began in July 1971 at the Sector Commanders Conference.

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

  • অভিজ্ঞতাঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
  • বেতনঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
  • পদ সংখ্যাঃ অসংখ্য পদে
  • আবেদনের সময়সীমাঃ ২৮ এপ্রিল ২০২২
  • আবেদন করুন নিচ থেকে

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

join navy job circular 2022

join navy job circular 2022

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

  • অভিজ্ঞতাঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
  • বেতনঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
  • পদ সংখ্যাঃ ৮১৩টি
  • আবেদনের সময়সীমাঃ ৩১ মে ২০২২
  • আবেদন করুন নিচ থেকে

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

অনলাইনে আবেদন করুন

বাংলাদেশ নৌবাহিনী সংশোধিত নিয়োগ ২০২২

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ ২০২২

  • বেতনঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
  • পদ সংখ্যাঃ অসংখ্য
  • কাজের সময়ঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
  • অনলাইন আবেদন নিচে দেখুন

বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২

আবেদনের শেষ সময়ঃ ১৬ মে ২০২২
অনলািইনে আবেদন করু

  • বেতনঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
  • পদ সংখ্যাঃ অসংখ্য
  • কাজের সময়ঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
  • অনলাইন আবেদন নিচে দেখুন

nou bahini job circular 2022

nou bahini job circular 2022

অনলাইনে আবেদন করুন
আবেদন শুরু হবেঃ  ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২
আবেদনের শেষ সময়ঃ ৭ মার্চ ২০২২

Bangladesh Navy Job Circular 2022

এই চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে। এটি প্রাইভেট জব সেক্টর হলেও এটিতে ভাল এবং মূল্যবান পোস্ট রয়েছে। এখন আবেদনের জন্য আপনাকে এই বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে দেখতে হবে। নীচে এখনই আবেদন করুন। শুরুতে নৌবাহিনীর জনবল ছিল ৪৫ জন আর সরঞ্জাম ছিল ভারত থেকে পাওয়া দুটি টহল জাহাজ পদ্মা এবং পলাশ। এই জাহাজগুলো পাকিস্তানি নৌবহরের উপর আক্রমণ এর কাজে ব্যবহৃত হত। যুদ্ধের সময় ১০ নম্বর সেক্টর ছিল নৌ সেক্টর তবে যুদ্ধকালীন সময় নৌকমান্ডোরা সারা দেশে অভিযান চালিয়েছেন। অন্য সেক্টর অভিযান চালানোর সময় সেক্টর কমান্ড এর সাথে সমন্বয় করে নেয়া হত। যুদ্ধের সময় নৌসেনাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল সামুদ্রিক যোগাযোগ পথ বন্ধ করা ও সকল সমুদ্র এবং নদীবন্দরগুলো ব্যবহার অনুপযোগী করে তোলা। সে লক্ষে তারা সারা দেশব্যাপী ৪৫টি প্রথাগত এবং অপ্রথাগত আক্রমণ চালান। আরো চাকরির খবর দেখুন chakrir kbr

১৯৭১ সালে এর ১৫ অগাস্ট বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর নৌযোদ্ধারা অপারেশন জ্যাকপট নামক একটি কমান্ডো অভিযান চালান চট্টগ্রাম এবং মোংলা সমুদ্রবন্দর ও চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরে। এই অভিযানে মোট ২৬টি জাহাজ ধ্বংস হয় ও আরও বহু জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব জাহাজের মধ্যে রয়েছে এমভি হরমুজ, এমভি আল আব্বাস, ওরিয়েন্ট বার্জ নং-৬ ও এসএস লাইটিং এর মত জাহাজ যারা পাকিস্তানি বাহিনীর জন্য অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বহন করছিল। নৌকমান্ডোরা সারাদেশে অসংখ্য সফল অভিযান পরিচালনা করেন। ১৯৭১ সালে ১০ ডিসেম্বরে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ভুলবশত আক্রমণে পদ্মাে এবং পলাশ ডুবে যায়। অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধকালে নৌবাহিনীর সাথে যুক্ত ছিল ৩৩৪ জন সদস্য তাদের মধ্য ২২ জন যুদ্ধে শহীদ হন।

জাতিসংঘ মিশন

১৯৯৩ সালের দিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাতিসংঘ মিশনে যুক্ত হয়। ১৯৯৭ সালে প্রথমবার এর মত স্বতন্ত্র নৌবাহিনী ইউনিট মোতায়েন করা হয় প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ এর পর ইরাক কুয়েত সীমান্তের জলপথে নিরাপত্তায়। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে সুদানে একটি ফোর্স রিভারাইন ইউনিট নামক নদীভিত্তিক টহল দল পাঠানো হয়। এছাড়া সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন মিশনে নৌসদস্যরা অংশ নিয়ে থাকেন। ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী লেবাননে জাতিসংঘ মিশন ইউনিফিল এর আওতায় ভূমধ্যসাগর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে আসছে। বর্তমানে মিশনে একটি ক্যাসল ক্লাস ক্ষেপণাস্ত্রবাহী কর্ভেট মোতায়েন রয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়মিতভাবে অন্যান্য নৌবাহিনীর সাথে মহড়ায় অংশগ্রহণ করে থাকে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী এক্সারসাইজ সী ব্যাট নামক বার্ষিক সমুদ্র মহড়ায় অংশ নিত।

২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর বিশেষ বাহিনী এক্সারসাইজ টাইগার শার্ক নামক মহড়ায় অংশ নিয়ে আসছে। ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর মধ্যে কোঅপারেশন অ্যাফ্লোট রেডিনেস অ্যান্ড ট্রেনিং নামক বাৎসরিক সামুদ্রিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ভারতীয় নৌবাহিনী আয়োজিত দ্বিবার্ষিক মহড়া মিলান নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নিয়মিতভাবে অংশ নিয়ে থাকে। ২০০৯ সালে আরব সাগরে পাকিস্তান নৌবাহিনী আয়োজিত দ্বিবার্ষিক মহড়া আমানে এই বাংলাদেশ নৌবাহিনী ফ্রিগেট নিয়ে অংশগ্রহণ করে আসছে। নৌবাহিনী কাতার এর দোহায় অনুষ্ঠিত সংকট মোকাবিলা অনুশীলন মহড়া এক্সারসাইজ ফেরোশাস ফ্যালকন এও অংশ নিয়ে থাকে। বানৌজা আবু বকর ২০১৪ সালে চীনের শ্যানডং প্রদেশ এর কুইংদাওতে অনুষ্ঠিত ওয়েস্ট প্যাসিফিক নেভাল সিম্পোজিয়াম (ডব্লিউপিএনএস) এ অংশগ্রহণ করে। নৌবাহিনী ২০১৫ সাল থেকে মালেশিয়ায় অনুষ্ঠিত বহুজাতিক প্রদর্শনী মহড়া লাংকাউই ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অ্যান্ড অ্যারোস্পেস এক্সিবিশন অংশগ্রহণ করে থাকে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ভারত মহাসাগরীয় ফোরাম এর ব্যানার বহুজাতিক সমুদ্র মহড়া ইওএনএস মাল্টিলেটারাল মেরিটাইম সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এক্সারসাইজ আয়োজন করে। এটা ছিল নৌবাহিনীর আয়োজিত প্রথম বহুজাতিক মহড়া।

সংগঠন

বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান একজন চার তারকা অ্যাডমিরাল। নৌ বাহিনী প্রধান যুদ্ধের সময় এবং নৌবাহিনীর সমস্ত শান্তিকালীন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। নৌ সদর দফতরের চারটি শাখা রয়েছে: অপারেশন (ও), কর্মী (পি), পদার্থ (এম) এবং লজিস্টিক (লগ)। প্রতিটি শাখার সহকারী নৌ বাহিনী বিভাগের একজন প্রধান রয়েছেন। প্রতিটি সহকারী চিফ অফ নেভাল স্টাফের অধীনে কমোডোর বা ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি পরিচালক রয়েছে। প্রতিটি পরিচালকের অধীনে সহকারী পরিচালক ও স্টাফ অফিসার পদমর্যাদার কর্মকর্তা থাকবেন। রিয়ার অ্যাডমিরাল বা কমোডোর র‌্যাঙ্ক অফিসারের নেতৃত্বে নৌবাহিনীর নয়টি অঞ্চল ভিত্তিক কমান্ড রয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী

মূল অফিসার

  • নৌ বাহিনী প্রধান: ভাইস অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, এনবিপি, এনইউপি, এনডিসি, এএফডাব্লুসি, পিএসসি।
  • সহকারী চিফ অফ নেভাল স্টাফ (অপারেশনস): রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মকবুল হোসেন
  • চিফ অফ নেভাল স্টাফ (পার্সোনেল): রিয়ার অ্যাডমিরাল মোঃ শাহীন ইকবাল
  • সহকারী প্রধান নৌ বাহিনী (উপাদান): রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শফিউল আজম
  • চিফ অফ নেভাল স্টাফ (লজিস্টিকস): রিয়ার অ্যাডমিরাল এম লোকমানুর রহমান

এখানে 8 টি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে

  • কার্য নির্বাহী শাখা
  • প্রকৌশল শাখা
  • সরবরাহ শাখা
  • বৈদ্যুতিক শাখা
  • শিক্ষার শাখা
  • মেডিকেল শাখা

অঞ্চল ভিত্তিক নেতৃত্ব

  • কমান্ডার চট্টগ্রাম নেভাল এরিয়া (COMCHIT) রিয়ার অ্যাডমিরাল এম আবু আশরাফ
  • বাংলাদেশ নৌবাহিনী (কমবান) রিয়ার অ্যাডমিরাল এম আশরাফুল হক
  • কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়া (কোমখুল) কমডোর এম শামসুল আলম
  • কমোডোর সুপারিনটেনডেন্ট ডকইয়ার্ড (সিএসডি) কমোডোর মোহাম্মদ মoinনুল হক
  • নৌ প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ কমোডর সেলিম রেজা হারুন
  • কমোডোর নেভাল এভিয়েশন (সিওএমএনএভি) কমোডোর মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
  • কমোডোর স্পেশাল ওয়ারফেয়ার অ্যান্ড ডাইভিং স্যালভেজ কমান্ড (পণ্য) কমোডোর শাহ আসলাম পারভেজ
  • কমান্ডার ফ্লোটিলা ওয়েস্ট (কমফ্লট ওয়েস্ট) কমোডোর এস এম মনিরুজ্জামান

কুখ্যাত ইতিহাস

নেটিভ শিপ বিল্ডিং শিল্প বাংলার অনেক প্রাচীন। চৌদ্দ শতকে ভ্রমণকারী ইবনে বতুতা বাংলায় এসে সোনারগাঁয়ে নির্মিত কাঠের জাহাজে ভ্রমণ করেছিলেন। ইউরোপীয় ভ্রমণকারী সিজার ফ্রেডরিকের মতে, পঞ্চদশ শতাব্দীতে সমুদ্রগামী জাহাজ নির্মাণের কেন্দ্র ছিল চট্টগ্রাম। সপ্তদশ শতাব্দীতে তুরস্কের সুলতানের বহরটি চট্টগ্রামে নির্মিত হয়েছিল। দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পের বিকাশ বাংলায় একটি শক্তিশালী নৌবাহিনী গঠনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। বাংলায় মুঘল দখলের পরে তারা জলদস্যুতা বন্ধে শক্ত নৌবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিল। বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ দেখুন।

ঢাকা এবং অন্যান্য কৌশলগত স্থান। তবে মোগলরা সমুদ্রের দিকে দুর্বল ছিল এবং তারা বার্মিজ জলদস্যুদের থামাতে ব্যর্থ হয়েছিল। পরে মুঘলরা জলদস্যুদের দমন করার দায়িত্ব শায়েস্তা খানকে দিয়েছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের মধ্যে শায়েস্তা খান প্রায় ৩০০ টি নৌকা ও জাহাজ সংগ্রহ করেছিলেন। পরে তিনি বার্মিজ জলদস্যুদের দমন করেন এবং চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং আরাকানকে বার্মিজ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। ব্রিটিশ শাসনামলে তারা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ নৌ ঘাঁটি স্থাপন শুরু করে। তবে তাদের মূল ফোকাস ছিল পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে। বাংলাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কোনও নৌ অবকাঠামো গড়ে তুলতে ব্রিটিশরা কোনও উদ্যোগ নেয়নি। সালে ট্রাফালগার বিখ্যাত যুদ্ধে, ব্রিটিশ নৌবাহিনী বাংলায় তৈরি জাহাজ ব্যবহার করত। ডাচ নেভির কাঠের ফ্রিগেট ডাচল্যান্ড চট্টগ্রামে নির্মিত হয়েছিল। বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ দেখে আবেদন করুন। চেক আউট মোর জব ইন hakrir kbr com

জব রিলেটেড

“Bangladesh Navy job 2022, New Bangladesh Navy job , Bangladesh Navy job Circular, Today’s Job News, Job News, 2022 Job, Job News 2022, Government Job, Bangladesh Navy Circular, Job circular, Job News, Government Job, Bangladesh Navy Job, Today job news”

“বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ ২০২২, যমুনা গ্রুপ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২, নতুন বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আজকের চাকরির খবর, জব নিউজ, ২০২২ চাকরি, চাকরির খবর ২০২২, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২, সরকারি চাকরি, শিল্প মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২, বাংলাদেশ নৌবাহিনী সার্কুলার, চাকরির নিয়োগ, জব নিউজ, সরকারি জব, বাংলাদেশ নৌবাহিনী জব, আজকের সরকারি চাকরি”

Leave a Reply

Back to top button
error: লেখা কপি করা যাবেনা !!